Advertisement
Homehistoryজানেন ১০০ বছর আগে মানুষ কীভাবে দিঘা যাওয়া আসা করতেন?

জানেন ১০০ বছর আগে মানুষ কীভাবে দিঘা যাওয়া আসা করতেন?

- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -

দিঘা এমন একটি জায়গা যেখানে প্রত্যেকটি মানুষ যেতে খুব ভালোবাসে।

নিরিবিলি সমুদ্রের ধার হালকা ফুরফুরে হাওয়া সত্যি আপনাকে মুগ্ধ করবে।

আপনার যদি অবসর সময়ে থাকে আপনি অনায়াসে দিঘা ঘুরে আসতে পারেন।

কিন্তু কখনো ভেবে দেখেছেন অনেক আগে মানুষ কিভাবে এখানে যাওয়া আসা করতেন?

আজ আপনাদের সঙ্গে এমন একটি তথ্য শেয়ার করব যেটি আপনারা হয়তো কেউ জানেনি না।

আপনাদেরকে জানাবো ১০০ বছর আগে মানুষ কিভাবে দিঘায় যাতায়াত করতেন।

এখনকার মতো তখনকার সময়ে এত ভাল ব্যবস্থা ছিলনা যাতায়াত করার।

দেশ হোক কিংবা বিদেশ যাতায়াত করার জন্য অনেক রকমেরই যানবাহন ও পরিষেবা রয়েছে এখন।

এখন আমরা চাইলে নিমেষের মধ্যে এক দেশ থেকে আরেক দেশে যেতে পারে।

কিন্ত ১০০ বছর আগে কি রকম রূপ ছিল জানেন কি?

তখনো কি এত যানবাহন পরিষেবা ছিল? একদমই না তখনকার সময়ে এখনকার সময় এক করে দেওয়া মানে বোকামো।

সমাজ যত বেশি উন্নত হয়েছে তত উন্নত হয়েছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি।

তখনকার আর এখনকার সময় কখনো এক হতে পারে না। এক কথায় বলা যেতে পারে এটা আকাশ-পাতাল তফাৎ।

এখন তো আমরা চাইলেই দিঘাতে যেতে পারি বাস ও ট্রেনে করে।

কিন্তু ঠিক কী রকম পরিস্থিতি ছিল ১০০ বছর আগে?

ইতিহাসের পাতা ঘেঁটে দেখা গিয়েছে আগেকার সময় সাধারণ মানুষের পক্ষে দিঘা যাওয়া অনেকটাই ব্যয়বহুল ছিল।

অন্যদিকে সাহেবদের পক্ষে দিঘা যাওয়া কোন সমস্যাই ছিল না।

তারা মূলত কলকাতা থেকে কাঁথি পর্যন্ত যেত গাড়ি করে এরপর সেখান থেকেই রওনা হতো দিঘার উদ্দেশ্যে।

১০০ বছর আগে দিঘায় যেতে সময় লাগতো প্রায় দুদিন।

ভাবলেই অবাক লাগছে যে আগেকার সময় দুদিন লাগত দিঘা যেতে,

যেটা কিনা এখন আমাদের দিঘা যেতে লাগে মাত্র কয়েক ঘন্টা।

তখনকার সময়ে যদি কেউ দিঘা আসতে চাইতেন তাহলে তাকে আগে আসতে হতো খড়গপুর।

সেখান থেকে বাসে করে রওনা দিতে হতো কাঁথি।

তারপর কাঁথি থেকে সোজা দিঘা।

সেই সময় নাকি কাঁথি থেকে দীঘা পর্যন্ত আসার জন্য চলত নাকি মাত্র তিনটি বাস।

তখন বাসগুলোকে নৌকার সাহায্যে নদী পারাপার করা হতো কারণ সেই সময় তখনো রাস্তা গড়ে ওঠেনি।

তাই নদী পারাপার করার সময় পাটাতনের ওপর ভাসিয়ে নিয়ে আসা হতো বাসগুলিকে।

কাঁথি থেকে দীঘা যাওয়ার রাস্তাটা যে খুব একটা সোজা ছিল তা কিন্তু নয়।

কাঁথি থেকে আগে যেতে হতো বালিসাই। বালিসাই এর রাস্তা মোটামুটি ভালোই ছিল।

বালিসাই থেকে দীঘা যাওয়ার রাস্তা খুব একটা ভালো ছিল না কারণ রাস্তাগুলো ছিল ইটের।

তাই জন্য খুবই অসুবিধা হতো মানুষের।

এরপরে ১৯৫১ সাল থেকে ১৯৫২ সালের মধ্যে ডঃ বিধান চন্দ্র রায় সেনাবাহিনীর মাধ্যমে,

মাত্র এক মাসের মধ্যে কাঁথি থেকে দিঘা যাওয়ার পথে পরে যে ইছামনি খাল তার ওপর একটি বাঁশের সেতু তৈরি করালেন তিনি।

এরপরে ফের ১৯৫৭ সাল থেকে ১৯৫৮ সালের মধ্যে তিনি আবারও একটি লোহার ব্রিজ তৈরি করিয়ে ছিলেন তিনি।

আরো পড়ুন : ইডলি ধোসা বিক্রি করে ১০০ কোটি টাকার কোম্পানির মালিক হল এক কুলির ছেলে!

- Advertisement -

Must Read

ভাইরাস হানা অ্যান্ড্রয়েড ফোনে! আপনার অজান্তেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট হ্যাকারদের হাতের মুঠোয়!

আবারও অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে ভাইরাস হানা! সম্প্রতি Indian Computer Emergency Response Team (CERT-IN) জানিয়েছে এই খবর। Drinik নামের একটি নতুন ম্যালওয়্যার ভারতীয় ব্যাঙ্কিং পরিষেবা ব্যবহারকারীদের...