HomeLife styleগ্রামের সকল পুরুষ অবিবাহিত ! কোন পরিবারই মেয়ের বিয়ে দিতে চান না...

গ্রামের সকল পুরুষ অবিবাহিত ! কোন পরিবারই মেয়ের বিয়ে দিতে চান না অভিশপ্ত এই গ্রামে

- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -

এটি এমন এক ধরনের গ্রাম যেখানে বলতে গেলে সব পুরুষই অবিবাহিত। সকলে বলে এটি নাকি গ্রামটির অভিশাপ। কোন পরিবার নিজেদের মেয়ের বিয়ে এই গ্রামের কোন পুরুষের সঙ্গে দিতে চায় না। এর পিছনে দায়ী নয় কুসংস্কার। এই গ্রামের পরিবেশই হল এর জন্য দায়ী। যানবাহন চলাচল তো করেই না উল্টে বেঁচে থাকার জন্য যে প্রয়োজনীয় উপকরণ গুলি দরকার তারও অভাব এই গ্রামে।

রাজ্যের প্রতিটি জায়গায় উন্নয়নের আলো পৌঁছে দেবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন রাজ্য সরকার। কিন্তু রাঁচির এই ধরনের অনেক গ্রামে আজকের যুগে দাঁড়িয়েও এখনো প্রচুর সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। ঠিক এ রকমই একটি গ্রাম হল কাঙ্কে ব্লকের উচ্চ কোন্কি পঞ্চায়েত। যেহেতু এই পঞ্চায়েতটি পাহাড় ও বনের মাঝে অবস্থিত তাই এইখানে সানাইয়ের আওয়াজ একদমই পাওয়া যায় না।

বছরের পর বছর ধরে এখানকার বাসিন্দারা অতি কষ্টের জীবন যাপন করে চলেছেন। ঝাড়খন্ডের রাজধানী রাঁচি থেকে প্রায় ২৬ কিমি দূরে অবস্থিত উচ্চ কৌনকি পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বেশ কয়েকজন গ্রামবাসীরা পাহাড় ও বনের মাঝে অতি কষ্টে নিজেদের জীবন অতিবাহিত করছেন। কোন সেতু নির্মাণ না হওয়ায় মারাত্মক অসুবিধার মুখে পড়তে হচ্ছে তাঁদের। সূত্রে খবর অনুযায়ী , ওই পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ১৫ টি গ্রামের মধ্যে ৬ টি গ্রামের অবস্থা সাংঘাতিক। জানা গিয়েছে ওই গ্রামগুলিতে মোট ১৫০০ জন বসবাস করেন। কোন কিছু দরকার পড়লেই তাঁদের সর্বদা নদী পারাপার করেই প্রয়োজন মেটাতে হয়। বিশেষত বর্ষার সময় এই নদীতে যখন প্রবল জলোচ্ছাসে তখন ভয়ানক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় গ্রামগুলিতে। কোন পরিবারের মেয়েকেই এই ধরনের প্রত্যন্ত গ্রামে বিয়ে দিতে চায় না। তাই সানাইয়ের আওয়াজ এই গ্রাম থেকে কেউ পায় না।

সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর ওই গ্রামেরই সোমু মুন্ডা নামের ২৪ বছর বয়সি এক যুবক হতাশার গলায় বলেন , তাঁর থেকেও বেশি বয়সের অনেক পুরুষের বিয়ে এখনো হয়নি। অন্য কোন গ্রামের মেয়েদের বিয়ে এই প্রত্যন্ত জায়গায় কেউ দিতে চায় না।

ওই পঞ্চায়েতের গ্রামবাসীরা শহরের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি করার জন্য নাকি বহুবার সেতু নির্মাণের জন্য দাবি তোলেন। এমনকি কোন গ্রামবাসী যদি হঠাৎ করে গুরুতরভাবে অসুস্থও হয়ে পড়েন চিকিৎসার জন্য নদী পারাপার করে যাওয়া প্রচন্ড দুরবিসহ।

ওই গ্রামে থাকা সামান্য কয়েকজন মহিলা গ্রামবাসীদের বক্তব্য অনুযায়ী , সন্তান প্রসব কালীন বেঁচে থাকা সম্পূর্ণই ঈশ্বরের হাতে ছেড়ে দিতে হয়। তাঁরা বলেন বিয়ের পর বহু বছর বাইরের ঝলমলে পরিবেশ দেখতে পাননি। তাঁরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন কত সরকার এসেছে কিন্তু কেউই তাঁদের জন্য কোনো ব্যবস্থা নেননি। সকলেই বলেন উপজাতীয় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আশাবাদী ছিলেন সকলে কিন্তু এখনো পর্যন্ত আশা সফল হবে বলে মনে করছেন না তাঁরা।

Image Source : Wikipedia

আরোপড়ুন : হরর ছবি দেখুন আর পেয়ে যান ৯৫ হাজার টাকা!

আরোপড়ুন : ভালোবাসায় ধোঁকা খেয়ে মিডিয়ার সামনে চিৎকার করে একী বললেন প্রাচী দেশাই ?

- Advertisement -

Must Read

“বেকড মিহিদানা”, এবারে বাড়িতেই বসে তৈরি করে নিন দোকানের মত এই মিষ্টির স্বাদ!!

খাঁটি বাঙালি মানেই মিষ্টি তার প্রিয় খাদ্য। মাছ থেকে মাংস যত পঞ্চব্যঞ্জন রান্না করে দেওয়া হোক না কেন শেষপাতে বাগানের মিষ্টি চাই। সামনে আসতে...