Homesocialনা শ্মশান, না কবরস্থান! তাহলে পতিতা-নারীর দেহকে মৃত্যুর পর কি করা হয়?

না শ্মশান, না কবরস্থান! তাহলে পতিতা-নারীর দেহকে মৃত্যুর পর কি করা হয়?

- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -

পতিতালয়ের কথা উঠলেই অনেকেই মুখ ঘোরায়, অনেকে লজ্জা পায়, আবার অনেকে এই কথা মুখে আনাও পাপ মনে করে। যদিও সমাজের একটা অংশ রয়েছে যাঁরা পতিতা নারীদের কঠিন, দুঃসহ জীবনের সংগ্রামকে শ্রদ্ধা করে। এই নারীদের জীবনযাপনের কল্যাণ করতে অনেকেই পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। কিন্তু গোটা সমাজকে পতিতালয়ের কঠিন সত্য বিশ্বাস করানো দায়! ‘বেশ্যা’ নারী বলে অতি সহজেই মুখ বাঁকানো যেন আজকের আধুনিক সমাজের সজ্জা হয়ে দাঁড়িয়েছে। নির্দ্বিধায় এই নারীদের তুচ্ছ করতেও গায়ে বাঁধে না তথাকথিত উন্নত সমাজের। অথচ এই সমাজের পুরুষরাই শরীরের খিদে মেটাতে পতিতালয় ছাড়া কিছু বোঝে না। বড়বাবু থেকে শুরু করে নেতা, মন্ত্রী সকলেই এই ‘বেশ্যা’ নারীদের শরীরের আশ্রয় নেয়। কিন্তু খিদে মিটে গেলেই জাত, কর্ম, ধর্মের হুঁশ হয় এদের। তখন আর আশ্রয়দাতা নয় এই নারীরা। তখন এরা শুধুই ‘বেশ্যা নারী’ নামে পরিচিত। 

কারোর কি জানা রয়েছে এই যৌন কর্মীদের মৃত্যুর পর দেহ সৎকার কিভাবে করা হয়? এরাও সমাজের বাকিদের মতোই মানুষ। অমিল শুধু কর্মে! পেট চালানোর দায়ে যৌন কর্মকে আজকের আধুনিক সমাজ নাম দিয়েছে ‘কুকর্ম’। অথচ দিন শেষে সকলেই ‘বেহায়া’। সেসব লুকিয়ে পতিতা নারীদের পেশাই নাকি সমাজের আবর্জনা! তাই তাঁদের মৃত্যুর পর স্বাভাবিক নির্দিষ্ট ধর্ম মতে সৎকার যেন ভাবাই যায় না! পতিতা নারীদের মৃত্যু হলে শ্মশান কিংবা কবরস্থানে ঠাঁই মেলে না। তাঁদের হয় বস্তায় পুরে বেঁধে ভাসিয়ে দেওয়া হয় না হলে লোক চক্ষুর আড়ালে ফাঁকা কোনো জায়গায় পুঁতে দেওয়া হয়। 

এটাই হল আজকের আধুনিক, এগিয়ে চলা সমাজের ভাবনা। যৌনতাকে দূরে ঠেলে না, কিন্তু যৌন কর্মী ঘৃন্য এই সমাজে। পরিসংখ্যান বলছে, যৌন কর্মীদের ৯০ শতাংশই অনিচ্ছাকৃতভাবে এই পেশায় নিযুক্ত হয়ে থাকে। কারণ, শুধু পেট চালিয়ে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখা!

Image Source : Facebook 

আরও পড়ুন : সরকারি নামী পোস্টের চাকরিকেও হার মানাবে, ভারতের ‘ধনী ভিখারি’র মাসিক আয় ৮৬ হাজার টাকা!

- Advertisement -

Must Read

“বেকড মিহিদানা”, এবারে বাড়িতেই বসে তৈরি করে নিন দোকানের মত এই মিষ্টির স্বাদ!!

খাঁটি বাঙালি মানেই মিষ্টি তার প্রিয় খাদ্য। মাছ থেকে মাংস যত পঞ্চব্যঞ্জন রান্না করে দেওয়া হোক না কেন শেষপাতে বাগানের মিষ্টি চাই। সামনে আসতে...