Homeceleb lifeমিঠাই নয়, বরং জীবনের সেরা সহ অভিনেত্রী হিসেবে আদৃত বেছে নিলেন শ্রাবন্তীকে!

মিঠাই নয়, বরং জীবনের সেরা সহ অভিনেত্রী হিসেবে আদৃত বেছে নিলেন শ্রাবন্তীকে!

- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -

এই মুহূর্তে অর্থাৎ বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলা টেলিভিশনের সেরা নায়ক হল আদৃত,

ওরফে মিথাই ধারাবাহিকের মূল চরিত্র সিদ্ধার্ত মোদক।

বর্তমানে ছোটপর্দার সবচেয়ে জনপ্রিয় ধারাবাহিকের নায়কের কেরিয়ার কিন্তু শুরু হয়েছিল রুপোলি পর্দার মাধ্যম দিয়ে।

নুর জাহান সিনেমার মাধ্যম দিয়ে নিজের কেরিয়ার শুরু করেন আদৃত।

সম্প্রতি কয়েকদিন আগেই অভিনেতা নতুন একটি ছবি রিলিজ করেছে যার নাম ‘লকডাউন’।

এই ‘লকডাউন’ ছবিটি পরিচালনা করেছেন অভিমন্যু মুখোপাধ্যায়। 

মূলত এই ছবিতে শ্রাবন্তীর সহ-অভিনেতা হিসেবে দেখা গিয়েছে আদৃতকে।

ইতিমধ্যেই লকডাউনের স্ক্রিনিং-এ কো-স্টার শ্রাবন্তীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছে আদৃত।

এই ছবির ট্রেলারেই নজর কেড়েছিল সমস্ত দর্শকের।

Source : Facebook

শ্রাবন্তীর সম্পর্কে আদৃত ওরফে উচ্চেবাবু বলেছেন, ‘শ্রাবন্তীদি হল সেরা, একজন কোস্টার হিসেবে আমি এটুকুই বলবো।’

যদিও তাঁকে বলা হয়েছিল যে তাঁর এই কথা শুনে অন্য সমস্ত সহ অভিনেত্রীরা কিন্তু রাগ করতে পারেন।

কিন্তু তাতেও তিনি তাঁর স্টেটমেন্ট থেকে পিছপা হননি।

উল্টে তিনি বলে বসেন, ‘অন্যরা যদি রাগ করে তাহলে আমি কি করবো!

উনি সত্যিই বেস্ট, শ্রাবন্তীদির সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা দুর্দান্ত ছিল।

খুবই অল্প দিনের জন্য শ্রাবন্তীদির সঙ্গে অভিনয় করার সুযোগ পেয়েছি।

কিন্তু এই কয়েকটা দিন আমরা খুবই আনন্দ করে কাজ করেছি,

গান-বাজনা করেছি, খাওয়া-দাওয়া করেছি একসঙ্গে।

গিন্টুদির বাড়ি থেকে খাবার আসলেই উনি মেকআপ রুম থেকে ফোন করে সবাইকে ডাকতেন,

আমরা সবাই খুবই ভালো সময় কাটিয়েছি,

উনি হলেন আমার জীবনের সবচেয়ে সেরা সহ-অভিনেত্রী।’

একটি সাক্ষাৎকারে আদৃত জানিয়েছেন, ‘শ্রাবন্তীদির বাড়ি থেকে পোলাও, চিকেন এই সমস্ত খাবার আসতো।

ওনার মতন একজন অভিজ্ঞ এবং স্টার অভিনেত্রীর ক্ষেত্রে এরকম জিনিস সচরাচর দেখা যায় না।

রুম থেকে ডেকে নিয়ে এসে একসঙ্গে খাওয়া-দাওয়া করা, গল্প গুজব করা।

এটাই তো দুজন অভিনেতার মধ্যে রসায়ন তৈরি করে, তাই না?’

শুক্রবার দিন মুক্তি পেয়েছে ‘লকডাউন’।

আদৃত এবং শ্রাবন্তী ছাড়াও এই ছবিতে দেখা গিয়েছে সোহম, রাজনন্দিনী এবং ওম, মানালিকে।

মূলত লকডাউন এর সময় বদলে যাওয়া মানুষের সাইকোলজি এবং আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতিতেই এই সিনেমার কাহিনী তৈরি হয়েছে।

তিন ধরণের ভিন্ন কাহিনী একসঙ্গে এগিয়ে চলে এবং সর্বশেষে তিনটি কাহিনী মিলে যায়।

চরিত্রগুলো যে কিভাবে একসঙ্গে মিলে যায় সেটি হল এই ছবির মূল উপজীব্য।

আরো পড়ুন : এবার প্রধানমন্ত্রী-র জন্মদিনে আয়োজিত হতে চলেছে বড় চমক!

- Advertisement -

Must Read

আঙুলের সংকেতে কিভাবে বলবেন ‘কিং খান’এর নাম?

আঙুলের সাহায্যে সাংকেতিক ভাষায় কীভাবে বলবেন বলিউড অভিনেতা শাহরুখ খানের নাম?‌ এবার শিখে নিন আপনিও।  শাহরুখের পাশাপাশি অন্যান্য শব্দ ও নাম সম্প্রতি যোগ করা হয়েছে।...