HomeHEALTHCovid-19পর্যটকদের জন্য দুঃসংবাদ, এবার সপ্তাহে একদিন করে বন্ধ থাকবে দার্জিলিংয়ের বাজার।

পর্যটকদের জন্য দুঃসংবাদ, এবার সপ্তাহে একদিন করে বন্ধ থাকবে দার্জিলিংয়ের বাজার।

- Advertisement -

বর্তমানে কোভিড পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে তৎপর দার্জিলিং জেলা প্রশাসন। এবার থেকে প্রতি সপ্তাহে একদিনের জন্য জেলার সবকটি শহর কার্যত লকডাউন রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিধি নিষেধ কিছুটা শিথিল হতেই দোকান বাজারে ব্যাপক ভিড় চোখে পড়েছে। যা বেশ খানিকটা চিন্তা বাড়িয়েছে স্থানীয় প্রশাসনের। করোনার তৃতীয় ঢেউ আর কয়েক মাসের মধ্যেই আসতে চলেছে যার ফলে আবারো কড়া কড়ি পথে হাঁটতে চলেছে জেলা প্রশাসন।

তবে এখনো পর্যন্ত ঠিক করা হয়নি ঠিক কোন দিনই লকডাউন থাকবে, জানা গিয়েছে ব্যবসায়িক সংগঠনগুলোর সঙ্গে আলোচনার পরে লকডাউন এর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে জেলা প্রশাসন। দার্জিলিংয়ের এস ডি ও টি রায় জানিয়েছেন, প্রতি বৃহস্পতিবার দার্জিলিং শহরের দোকান বাজার সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। কয়েকদিন ধরে পাহাড়ে ভ্রমণ বেড়েছে যার ফলে বাড়ছে সংক্রমণ। শনিবার নতুন করে ৮৯ জন করণ আক্রান্ত হয়েছেন দার্জিলিং শহরে যা বাংলায় সর্বাধিক। এসডিও এ দিন জানান চকবাজার এবং চৌরাস্তা এলাকায় রাস্তা বন্ধ করে দেয়া হবে শুধুমাত্র বৃহস্পতিবার জরুরী পরিষেবা ওষুধের দোকান খোলা থাকবে।

যেহেতু পাহাড়ে পর্যটকদের আনাগোনা নিত্যদিন বেড়েই চলেছে সেইজন্যই করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে দাবি দার্জিলিং জেলা প্রশাসনের। এবার থেকে দার্জিলিঙে আসা পর্যটকদের ক্ষেত্রে ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ অথবা করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট বাধ্যতামূলক হতে চলেছে। পাহাড়ে প্রবেশের আগেই বিভিন্ন জায়গায় গাড়ি আটকে নাকা চেকিং করছে পুলিশকর্মীরা। এছাড়াও পাহাড়ে আসা পর্যটকরা স্বাস্থ্যবিধি না মানলে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে বলে খবর। এখন অব্দি করোনার দ্বিতীয় ঢেউ কাটিয়ে উঠতে পারেনি গোটা দেশ। বিশেষজ্ঞদের মতে এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে করোনার তৃতীয় ঢেউ আসতে চলেছে। নবান্ন এই ব্যাপারে প্রথম থেকেই বেশ সতর্ক আগেভাগেই পাহাড় থেকে সমতল কড়া মনোভাব নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনকে। এর সাথে সর্বত্র চলবে নাকা চেকিং।

আরো পড়ুন : মাধুরীর সঙ্গে নাচের ভয়ে ছবি ফিরিয়ে দিয়েছিলেন করিশ্মা, তারপর কি হল জানুন

- Advertisement -

Must Read

এক ঝলকে দেখে নিন ২০২১-এর মহালায়া ও দুর্গা পুজো-র নির্ঘন্ট!

গোটা একটা বছর ধরে করোনার জেরে সমস্ত পুজো আচ্ছা সব বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আগের বছরে সেভাবে কোন পুজো আচ্ছা হয়নি। বাঙালি সবথেকে বড় পুজো অর্থাৎ...