HomeTechEntertainmentআসুন! জেনে নেওয়া যাক কিভাবে তৈরি করবেন একটি শর্টফিল্ম

আসুন! জেনে নেওয়া যাক কিভাবে তৈরি করবেন একটি শর্টফিল্ম

- Advertisement -

বর্তমান সময়ে প্রায় সকলের কাছে স্মার্টফোন আছে আর তার সাথে সাথে আছে ফোনের মধ্যে উন্নত মানের ক্যামেরা। আর এখনকার দিনেও অনেক ছেলে মেয়েরা অভিনয়জগতের সাথে যুক্ত থাকতে চায়। ব্যাস ক্যামেরা আর অভিনয় জানা কোন ছেলে বা মেয়ে জোগাড় হয়ে গেলেই শর্ট ফিল্ম বানানো এমন কোন ব্যাপারই না।

শর্ট ফিল্ম তৈরি করার জন্য গল্পটাকে আলাদারকম ভাবে সাজাতে হবে। অর্থাৎ গল্পের স্ক্রিপ্টটা এমন হতে হবে যা সকলের মন ছুঁয়ে যাবে। ঠিক কোন জায়গায় চরিত্র গুলিকে যথার্থ মানাবে এবং গল্পটি কোথায় শুরু হবে আর কোথায় গিয়ে শেষ হবে এই সমস্ত গুলো ভালো করে বুঝতে হবে।

এরপর আসে আমরা কোন গল্প নিয়ে ফিল্ম তৈরি করব । গল্পটা ঠিক কি রকম হলে দর্শক সিনেমাটি দেখবেন তা সবসময়ই মাথায় রাখতে হবে। আমাদের সব সময় খেয়াল রাখতে হবে যখনই আমরা কোন গল্পকে বা কোন চরিত্রকে সিনেমাতে ফুটিয়ে তুলবো সেটা যেন সবাইকে আলোড়িত করে। সিনেমা যারা তৈরি করেন তাঁরা অনেক সময় এই গল্প ভাবতে গিয়ে রাতের ঘুম উড়িয়ে দেন। শুধু সেই সময় তারা গল্পটা ঠিক কিভাবে তৈরি করলে দর্শক দেখবে সেই চিন্তাই করেন।

অনেকে বলেন সিনেমাতে নাকি গল্পের গরু গাছে ওঠে। হ্যাঁ গল্পের গরু গাছে উঠতেই পারে তবে আমরা কিভাবে সেটাকে দর্শকের কাছে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলবো সেই দিকে আমাদের নজর রাখতে হবে। আমরাও ছোটবেলায় বাবা-মায়ের থেকে রূপকথার গল্প শুনতাম তারা এমন ভাবে সেই কাল্পনিক গল্প গুলি বলতো যে আমরা সহজেই বিশ্বাস করে নিতাম। ঠিক সেইভাবেই আমাদেরকেও সিনেমার গল্পগুলি দর্শকের কাছে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে হবে।

সিনেমা তৈরি করার সময় গল্প লেখা হয়ে গেলে সেই গল্পটি কয়েক সপ্তাহ লুকিয়ে রেখে আবার পরে কোন একদিন পুনরায় পড়লে অনেক ভুল-ত্রুটি ধরা পড়ে। শুধু তাই নয় অনেক সময় বন্ধু-বান্ধবদের দিয়ে পড়ালে তারাও অনেক ভুলত্রুটি ধরিয়ে দিতে পারে। এদের মতামত নিয়ে কাজ করলে লাভ হবে বইকি ক্ষতি হবে না। আমাদের সব থেকে আগে জানতে হবে এক লাইনে গল্পটিকে কিভাবে দর্শকের কাছে আগ্রহী করে তোলা যায়।

শুধু সিনেমা বানালেই হবে না তার কাঠামোটি হতে হবে সৌন্দর্যপূর্ণ। সিনেমাতে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো সিনেমার দৃশ্য। কোথায় কখন কি রকম দৃশ্য যোগ করলে সিনেমাটির সৌন্দর্যতা আরো বাড়বে সেই দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। দৃশ্যের সময় সীমাও একটা বড় দিক হিসেবে কাজ করে। কোন দৃশ্যের সময়সীমা বাড়াতে হবে আর কোথায় কমাতে হবে সেই দিকটাও বুঝে নিতে হবে। আগে থেকেই স্ক্রিপ্টে লিখে রাখতে হবে এক দৃশ্য থেকে অপ এক দৃশ্যে যাওয়ার জন্য ‘ কাট ‘ , ‘ ডিজলভ ‘ নাকি ‘ ফেড ইন ফেড আউট ‘ কোনটা ব্যবহার করতে হবে। আর এই সমস্ত ব্যাপার সঠিকভাবে বুঝতে না পারলে কিছু স্ক্রিপ্ট বা কিছু টিউটোরিয়াল দেখতে হবে।

সিনেমার সব থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হল বর্ণনা আর সংলাপ। বর্ণনার সঙ্গে সংলাপ এমন ভাবেই দিতে হবে যাতে দৃশ্যের মাধুর্যতা নষ্ট না হয়। সংলাপ সিনেমার একটি শক্তিশালী অস্ত্র। সিনেমায় চরিত্রের সংলাপ সব সময় লক্ষ্য রাখতে হয়। চরিত্ররা যাতে একই সংলাপ বারবার না বলেন সেই দিকেও নজর রাখতে হবে নইলে সিনেমা পুরোটাই ভেস্তে যাবে। সংলাপ সবসময় দর্শকের কাছে শ্রুতিমধুর করে তুলতে হবে।

সবশেষে বলতে গেলে একটি সিনেমা তৈরি করা মানে একটি দৃশ্যের সংলাপ ও বর্ণনার মধ্য দিয়ে একটা গল্পকে তুলে ধরা। শুধু কয়েকটা ধাপ বুঝে নিলেই একটা শর্ট ফিল্ম বানানো কোন ব্যাপারই নয়।

Image Source : Wikipedia

আরোপড়ুন :একুশের মঞ্চ থেকে দিল্লি দখলের ডাক মমতার।

আরোপড়ুন :৫ মাস লাগাতার আনন্দপুরের বাড়িতে বোনকে ধর্ষণ দাদার!

- Advertisement -

Must Read

এক ঝলকে দেখে নিন ২০২১-এর মহালায়া ও দুর্গা পুজো-র নির্ঘন্ট!

গোটা একটা বছর ধরে করোনার জেরে সমস্ত পুজো আচ্ছা সব বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আগের বছরে সেভাবে কোন পুজো আচ্ছা হয়নি। বাঙালি সবথেকে বড় পুজো অর্থাৎ...